আল্লাহ্ তুমি মহান, তুমি মেহেরবান
সুন্দর এই ভুবন দেখিয়া বরে এই মন ।
প্রভুর কত অপরূপ লীলা।
মোদের এই সুন্দর জগত দিলা ,
আল্লাহ্ তুমি মহান, তুমি মেহেরবান ।
নানারূপ সৃষ্টির এই পৃথিবী দিলা।
সব সৃষ্টির রহস্য লুকাইয়া ।
তুমি মহান তুমি অতি দয়াবান,
দিয়েছো মোদের সর্বোচ্চ সম্মান।
করিনা যে মোরা তার গুণগান,
পড়ি মোরা বিপদ এর সোপান ।
ওহে তুমি সৃষ্টির এক মাত্র মালিক মহান দয়াবান।
তোমার করুনা ছাড়া উপায় আর কিছু নাই
ক্ষমা করো মোদের গুনাহগার বান্দা তোমার ,
এই মোদের প্রার্থনা হে মহান রব তোমার সোপান।
আল্লাহ্ তুমি মহান, তুমি মেহেরবান ।
রোজা সম্পর্কে হাদিস
পরিচ্ছেদঃ ১১৮৩. রমযানের সাওম ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে।
মহান আল্লাহ্র বাণীঃ হে মু’মিনগন!
তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হল,
যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর,
যেন তোমরা মুত্তাকি হও (২:১৮৩)
⇶ ১৭৭০। কুতায়বা ইবনু
সা’ইদ (রহঃ) ... তালহা ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এলোমেলো
চুলসহ একজন
গ্রাম্য আরব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর
নিকট এলেন। তারপর বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাকে বলুন, আল্লাহ তা’আলা আমার
উপর কত সালাত (নামায/নামাজ) ফরজ করেছেন? তিনি বলেনঃ পাঁচ (ওয়াক্ত) সালাত;
তবে তুমি যদি কিছু নফল আদায় কর তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন,
আমার উপর কত সিয়াম আল্লাহ তা’আলা ফরজ করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ রমযান মাসের সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম); তবে
তুমি যদি কিছু নফল কর তবে তা স্বতন্ত্র কথা। এরপর তিনি বললেন, বলুন, আল্লাহ
আমার উপর কি পরিমান যাকাত ফরয করেছেন? রাবী বলেন, রাসুলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ইসলামের বিধান জানিয়ে দিলেন। এরপর
তিনি বললেন, ঐ সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য দিয়ে সম্মানিত করেছেন, আল্লাহ
আমার উপর যা ফরয করেছেন, আমি এর মাঝে কিছু বাড়াব না এবং কমাবও না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য বলে থাকলে
সফলতা লাভ করল কিংবা বলেছেন, সে সত্য বলে থাকলে জান্নাত লাভ করল।
আলোর দিশা
আলোর দিন শেষে আসে অন্ধকার রাত্রি।
শেযে এক মাত্র আল্লাহ্র সৃষ্টি।
রাত্রি অন্ধকার শেযে প্রকৃত অন্ধকার নহে ।
মনের ঘরের অন্ধকার ,শেযে প্রকৃত অন্ধকার হে ।
অন্ধকার মন পাজর শেযে বিষাক্ত আড্ডা ঘর ।
পাবেনাকো কবু তাতে সঠিক পথের দিশা যে।
পাবে নাকো সফলতা , আসবে তথায় বিষণ্ণাতা।
তথায় মনকে গড় আলোর দিশায় ।
পাবে তথায় পুন্নতা, যেথায় সফলতা ।
অহে মুছন কর মনের কাল,
তথায় পাবে তুমি সহি আলো ।
সেথায় স্মরণ করো তাকে ,
যে সৃষ্টি করেছে তোমাকে ।
মা
মা অতি মূল্যবান,
জত কর তুমি তা ,
হবে নাকো তার এক পোঁটার সমান ।
মা তোমার অনেক আপন ছেড়ো নাকো কভু ।
মায়ের মাঝে লুকীয়ে আছে অন্তরের প্রভু।
মা অতি দয়াময় মায়াময় ,
তথায় অতিউত্তম রুপ ।
ছেড়ো নাকো কভু তাকে ,
থাকবে তথায় দুঃখের মাঝে।
পাবেনা কভু সুখ যে তথা।
পাবে তথায় অনেক দুখ।
অহে তথায় দেখো শেযে,
মায়ের মায়াময়ী রুপ।
পাবে তথায় অনেক সুখ।
Subscribe to:
Posts (Atom)







